Breaking News
Home / ইসলাম / সিলেটে সাংবাদিকদের ঘরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে সব, পুড়েনি কেবল আল-কোরআন

সিলেটে সাংবাদিকদের ঘরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে সব, পুড়েনি কেবল আল-কোরআন

সিলেটে সাংবাদিকদের ঘরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে সব, পুড়েনি কেবল আল-কোরআন!

সিলেটে সাংবাদিকদের ঘরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে সব, পুড়েনি কেবল আল-কোরআন!সিলেটে এক টিভি সাং’বা’দি’কে’র বসতঘরে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটেছে। প্রা’য় ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল হয়ে গেছে পোড়ে ভস্মীভূত। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখায়পুড়েনি কে’ব’ল আল কোরআন। এছাড়া পরিবারের লোকজনও

র’ক্ষা পেয়েছেন অক্ষত অবস্থায়। শুক্রবার ভোরে গোলাপগঞ্জ উ’প’জে’লা’র ফুলবাড়ী ইউনিয়নের হেতিমগঞ্জর কা’য়’স্থ’গ্রা’মে ঘটেছে এ ঘটনাটি। আজ শুক্রবার ভো’রে পরিবারের লোকজন যখন ঘুমে- এ সময় অগ্নিকান্ডের সূ’ত্র’পা’ত ঘটে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মা’ধ্য’মে।

মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ঘরের চা’রি’দি’কে বিদ্যুতের তার জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ঘু’ম থেকে উঠে চিৎকার দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চা’লা’নো হয়। খবর পেয়ে গোলাপগঞ্জের ফায়ার সা’র্ভি’সে’র একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে এসে প্রায় দেড় ঘ’ণ্টা’র আপ্রাণ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘ’ট’না’য় বাড়ির কেউ হতাহত হননি।

ঘটনার ভ’য়া’ব’হ’তা’র খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ স’ম’বে’দ’না জানাতে জড়ো হন এশিয়ান টি’ভি’র ক্যামেরাপার্সন রুহিন আহমদের বাড়িতে। বাদ জু’ম’আ স্থানীয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উ’প’জে’লা আওয়ামীলীগ এডভোকেট ইকবাল আ’হ’ম’দ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সহানুভূতি ব্য’ক্ত করেন ক্ষতিগ্রস্তদের।

এসময় উপস্থিত ছি’লে’ন, ৩ নং ফুলবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প’দ’প্রা’র্থী আব্দুল হানিফ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সাং’বা’দিক রুহিম আহমদ জানান, ঘরের মূ’ল্য’বা’ন জিনিসপত্র ও জরুরি কাগজপত্র পোড়ে গেলেও আ’শ্চ’র্য’জ’ন’ক’ভা’বে শুধু অক্ষত ছিল পবিত্র কো’র’আ’ন শরীফ।

ষ্টিল আলমারীর ভেতরের কাগজপত্রও র’ক্ষা পায়নি আগুনের তাপে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় লে’প তোষক সহ ব্যবহারী সামগ্রী। তিনি বলেন, এতদিন বি’ভি’ন্ন জনের মুখে, সংবাদ মাধ্যমে বদৌলতে খবর পে’তা’ম অগ্নিকান্ডের ছোবলের পরও কোরআন শরীফ অ’ক্ষ’তে’র ঘটনা। কিন্তু নিজে আজ বাস্তব অভিজ্ঞতার স’ম্মু’খী’ন। ষ্টিল আলমারীর উপরে রাখা ছিল প’বি’ত্র কোরআন শরীফ। এর আশপাশ সহ গোটা ষ্টিল আ’ল’মা’রী পোড়ে অঙ্গার।

কিন্তু পুড়েনি কেবল আ’ল কোরআন। এছাড়া আগুনে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষ’য়’ক্ষ’তি হয়েছে বলে জানান তিনি।গোলাপগঞ্জ ফায়ার সা’র্ভি’সে’র ইনচার্জ ফয়সল বলেন, বিদ্যুতের শ’র্ট’সা’র্কি’ট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা ক’রা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: তিন কিলোমিটার লম্বা কাপড়ে হাতে লেখা কোরআন !

ভারতে কাপড়ের ওপর লেখা পবিত্র কোরআনের দীর্ঘতম পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন করা হয়েছে। ওই পাণ্ডুলিপির দৈর্ঘ্য ৩.১ কিলোমিটার। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এখনও মেলেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, কাপড়ের ওপর লিখিত ৩.১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যসম্পন্ন পবিত্র কোরআনের এই পাণ্ডুলিপিটি বিশ্বের দীর্ঘতম কোরআনের পাণ্ডুলিপি।

ভারতের কেরালা রাজ্যের কায়ামকুলামের কাছে ইরুভার বাসিন্দা এম কে নওশাদ চার সন্তানের সহায়তায় কাপড়ের ওপর সম্পূর্ণ কোরআন লিখেছেন। পেশায় দর্জি নওশাদের স্বপ্ন ছিল কাপড়ের ওপর পুরো কোরআন লিখার। অবশেষে ছেলেদের সহায়তায় ৩.১ কিলোমিটার দীর্ঘ কাপড়ে কোরআন হাতে লিখে সেই স্বপ্ন পূরণ করলেন, সেই সঙ্গে করলেন বিশ্বরেকর্ডও।

এম কে নওশাদের এক ছেলে মৌলভী আবদুল কাদের বলেন, ‘বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে তারা চার ভাই মিলে বাবার সঙ্গে কাপড়ে হাতে সম্পূর্ণ কোরআন লিখেছেন।’ এরনাকুলামের পাল্লুরুথির তারবিয়া মাদরাসার কোরআনের শিক্ষক মৌলভী আবদুল কাদের বলেন, ‘কয়েক বছর আগে তার বাবা ইচ্ছা করেছিলেন দীর্ঘ কাপড়ে কোরআন লেখার।

কিন্তু সময়ের অভাবে তা করতে পারেননি। তাই করোনা সংক্রমণের সময় লকডাউনে সেই কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। আমরা তাকে সাহায্য করতে থাকি। দেড় ইঞ্চি চওড়া রঙিন কাপড়ে কোরআনের আয়াত লিখে একত্রিত করতে থাকি।’ তিনি জানান, ‘এটি করতে আমাদের প্রায় ১১১ ঘণ্টার মতো সময় লেগেছে। দশটা সবুজ মার্কার কলম ও দশ বোতল কালি লেগেছে। সব মিলিয়ে এই কাজে আমাদের খরচ হয়েছে ২০ হাজার রুপি।’

যার স্বপ্ন সফল করতে ছেলেরা এই মহৎ কাজ করেছেন সেই এম কে নওশাদ কাপড়ের টুকরোগুলো একত্রে সেলাই করেছেন বেশ যত্ন নিয়ে। এর আগে কাপড়ের টুকরো জুড়ে জুড়ে ৫৪টি দেশের জাতীয় পতাকা তৈরি করেছিলেন তিনি। তৈরি করেছিলেন কাপড়ের টুকরো দিয়ে ভারতের পতাকাও। ২০০৩ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালাম যখন কোচিতে এসেছিলেন, তখন তাকে ডেকে সংবর্ধিত করা হয়েছিল।

নওশাদের চার ছেলেই কোরআন ও আরবিতে উচ্চ শিক্ষিত। তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন। তার এক ছেলে কে আই টি স্কুলের শিক্ষক মুহাম্মাদ শফি বলেন, ‘জুন মাসে ৩.১ কিলোমিটার দীর্ঘ কোরআন লেখার কাজ শুরু করা হয়। শেষ হয় ২৬ জুলাই।’

তিনি জানান, ‘পুরো নকশা তার বাবার। ১৫৫ রংয়ের কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কোরআন। এক একটি রঙিন কাপড় ২০ মিটার দীর্ঘ। পুরো কোরআন হাতে লেখা হয়েছে ওই কাপড়ে। যা লম্বায় দাঁড়িয়েছে ৩.১ কিলোমিটার।’

About Muktopata

Check Also

টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে নদীর স্রোতে ভেসে গেল ছাত্র

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলায় টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে পা পিছলে নদীতে পড়ে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। …