Breaking News
Home / ইসলাম / কে’য়ামতের যে ১০ আ’লামত ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে!

কে’য়ামতের যে ১০ আ’লামত ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে!

পৃথিবীর বয়স যত বাড়ছে, আমরা ততোই কে’য়ামতের নিকটবর্তী হচ্ছি। রাসুলুল্লাহ (সা.) তার হাদিসের মাধ্যমে আমাদের কাছে কি’য়ামতের অনেক নিদর্শনের বর্ণনা দিয়েছেন।

তন্মধ্যে বেশ কিছু নিদর্শন ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়ে গেছে বলে অনেক স্কলার বলছেন। এর দ্বারা এটিই প্রতিভাত হচ্ছে যে, কে’য়ামত অতিনিকটে চলে এসেছে।

দিন যতই সামনের দিকে এগোচ্ছে, নবীজির (সা.) বলে যাওয়া নিদর্শনগুলো ততই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এখানে তার বলে যাওয়া এমন ১০টি নিদর্শন তুলে ধরা হলো—

১. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমার পরে পৃথিবীতে সর্বপ্রথম ইরাকে ফিতনা সৃষ্টি হবে। নবীজির (সা.) এ ভবি’ষ্যদ্বাণী আজ সত্যে পরিণত হয়েছে।

২. নবীজি (সা.) বলেন, তাবুকের যে স্থানটিতে কূপ রয়েছে, সেটি কি’য়ামতের আগে ফুলে-ফলে ভরে উঠবে। আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাবুকের ওই স্থানটি রীতিমতো বাগানে পরিণত হয়েছে।

৩. তিনি আরও বলেন, লোকেরা এত পরিমাণ সম্পদশালী হয়ে উঠবে যে, কেউই জাকাত গ্রহণ করতে চাইবে না। আজ এর সত্যতা আমাদের কাছে স্পষ্ট।

৪. অ’তিবৃষ্টি, অ’নাবৃষ্টি, তীব্র ঠাণ্ডা ও দাব’দাহসহ বিভিন্ন প্রাকৃ’তিক দু’.র্যোগ ব্যাপক হারে দেখা দেবে; এতে করে মাঠঘাট ফসলহীন হয়ে পড়বে। আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, প্রাকৃ’তিক দু’.র্যোগের কারণে ফসলের উৎপাদন কী পরিমাণ ক্ষ’.তিগ্র’স্ত হচ্ছে।

৫. আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের মধ্য থেকে যখন আমানতদারিতা উঠে যাবে, তখন তোমরা কি’য়ামতের অপেক্ষায় থাকো। এর অর্থ হলো— সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে আমানতদারিতা দূর হয়ে যাবে। আর বর্তমানে ধোঁ’.কাবাজি, প্র’.তারণা ও চু’.রি-চা’মারি এত পরিমাণ বেড়ে গেছে যে, পৃথিবীতে আমানতদারিতা নেই বললেই চলে।

৬. একটা সময় আসবে যখন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষম’.তাধর রাষ্ট্রপ্রধানগণ বলতেই পারবে না যে, ইরাক আসলে কোথায় আছে।

৭. চতুর্দিক থেকে ইসলামের ওপর এত পরিমাণ হা’.মলা আসবে, যেভাবে নে’.কড়ের দল শি’.কারের ওপর ঝাঁ’.পিয়ে পড়ে।

৮. লোকেরা ব্যাপকভাবে ব্য’.ভিচারে লি’.প্ত হবে; তবে তারা স্বীকার করবে, এটি একটি গ’র্হিত কাজ।

৯. লোকেরা কাজকর্মে হালাল-হা’.রামের তোয়াক্কা করবে না। সু’.দের চর্চা সমাজে অধিক পরিমাণে ব্যাপৃত হবে।

১০. লোকেরা ষাঁড়ের লেজের ন্যায় এক ধরনের চাবুক (লাঠি) ব্যবহার করবে; এবং তা দ্বারা একে অপরকে প্র’হার করবে।

যেহেতু কে’.য়ামত অত্যাসন্ন, তাই প্রত্যেকেরই উচিত সর্বদা সৎকর্ম সম্পাদন করার মাধ্যমে কে’য়ামতের প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

About Muktopata

Check Also

গণিতের শিক্ষক থেকে কাবার ইমাম

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের সম্মানিত ইমাম ও খতিব শায়খ ড. মাহির বিন হামাদ আল মুআকলির …