Breaking News
Home / খেলাধুলা / প্রথম সেঞ্চুরির মুমিনুল ও একজন মা

প্রথম সেঞ্চুরির মুমিনুল ও একজন মা

দেশের বাইরে প্রথম বলে টেস্টে মুমিনুলের একাদশতম সেঞ্চুরির আনন্দটা হয়তো প্রথম সেঞ্চুরির মতোই। সেই প্রথম সেঞ্চুরি পেয়ে গিয়েছিলেন চতুর্থ টেস্টেই। ২০১৩ সালের অক্টোবরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রা

মে সেই সেঞ্চুরিটাকে ‘ডাবল’-ও বানিয়ে ফেলেছিলেন প্রায়। ১৮১ রানের সেই ইনিংস খেলার পর মুমিনুলের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জেনেছিলাম তাঁর মায়ের মর্মস্পর্শী গল্প। যাঁর অসুস্থতার জন্য কখনো কখনো নিজের ক্রিকেটপ্রেমকে দোষী ভাবেন মুমিনুল।

প্রথম প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০১৩। প্রথম আলো।

হাঁটা দূরত্বের বঙ্গোপসাগরের মতো মনে উথালপাতাল ঢেউ। কিন্তু মুখে সেটি প্রকাশ করতে পারছেন না। মাত্র দু-তিনটি শব্দই উচ্চারণ করতে পারেন। তার মধ্যে একটি ‘আলহামদুলিল্লাহ’।

বারবার সেটিই বলছেন আর অঝোরে কাঁদছেন। ‘খুব খুশি বুঝতে পারছিলাম। কিন্তু উনি বোঝাতে পারছিলেন না, শুধুই কাঁদছিলেন’—মুমিনুল হকের কণ্ঠটাও ভেজা ভেজা শোনায়।

এই ‘উনি’ মালেকা জয়নব। বছর খানেক আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে যাঁকে নিয়ে আক্ষরিক অর্থেই যমে-মানুষে টানাটানি হয়েছে। শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে গিয়েছিল।

অনেক দিন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে থেকে তাতে চেতনা ফিরেছে। এখন আস্তে আস্তে হাঁটতে পারেন। তবে বাক্শক্তি ফিরে পাননি এখনো। পরিচয়টা অসম্পূর্ণ থাকছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না বলা হচ্ছে, উনি মুমিনুল হকের মা।

সেই ছেলেবেলা থেকে চোখে খেলা করা স্বপ্ন পূরণের মুহূর্তটিতে সবার আগে মায়ের মুখটাই ভেসে উঠেছে চোখের সামনে। এ কারণেই হয়তো উদযাপনটা ছিল অমন আশ্চর্য নির্লিপ্ত! হেলমেট খুললেন, ব্যাটও তুললেন। কিন্তু সেটি এমন নিরাবেগ ভঙ্গিতে যে, তা দেখে কারও অনুমান করার সাধ্য নেই এইমাত্র প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন। সেটিও মাত্র ৯৮ বলে।
চোখের সামনে ভেসে ওঠা মায়ের মুখের সঙ্গে নির্লিপ্ত উদযাপনের সম্পর্ক আরেকটু ব্যাখ্যা দাবি করে। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মায়ের ওই অসুস্থতায় নিজেকেও যে একটু ‘অপরাধী’ ভাবেন মুমিনুল। বিকেএসপি থেকে এইচএসসি পাস করে বেরোনোর পর খেলার ব্যস্ততায় পড়াশোনায় ছেদ পড়ে গিয়েছিল। অনিশ্চিত ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ভেলায় চড়ে বসা তিন সন্তানের সবচেয়ে ছোট সৌরভের ভবিষ্যত নিয়ে তাই চিন্তার শেষ ছিল না মায়ের। ‘মার কাছে ক্রিকেটটা লটারির মতো। আমাকে শুধু বলতেন, “চেষ্টা করে যা, হলে হবে না হলে নাই।” কিন্তু মনে মনে আমাকে নিয়ে খুব টেনশন করতেন। সেদিনও নাকি খুব টেনশন করছিলেন, প্রেশারের ওষুধ খেতেও ভুলে গিয়েছিলেন। সেই রাতেই ব্রেন হেমারেজ হয়।’

কাল সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরেই মাকে ফোন করেছেন। বাবা-বড় ভাইয়ের কাছ থেকে জেনেছেন, টেলিভিশনে ছেলেকে সেঞ্চুরি করতে দেখার পর থেকেই মায়ের চোখে অবিশ্রাম শ্রাবণ।

দ্বিতীয় দিন শেষে ৭৭ রানে অপরাজিত। এত কাছে কক্সবাজার, সম্ভাব্য প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটা দেখতে বাড়ির কেউ মাঠে আসবেন না! সকালে হোটেল থেকে বেরোনোর সময়ই মুমিনুল জানিয়ে গেছেন, কখনোই কেউ আসেন না। টেনশন সহ্য করতে পারেন না বলে। কক্সবাজারের একটি হোটেলের ম্যানেজার বাবা তো টেনশনে টেলিভিশনেও মুমিনুলের ব্যাটিং দেখেন না। পান খান আর শুধু পায়চারি করেন।

পায়চারিরত অবস্থায়ই জেনেছেন, ছেলের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটা ডাবল হতে হতেও হয়নি। আগের তিন টেস্টে দুটি হাফ সেঞ্চুরির পর মুমিনুল এবার প্রতিজ্ঞা করেই নেমেছিলেন, ৫০ হলে সেটিকে ১০০ করতে হবে। কাল খেলা শুরুর আগে সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ ইন্টারভিউ নিতে চাইল। মুমিনুল ফিরিয়ে দিলেন এই বলে, ‘এক শ/দেড় শ করলে ইন্টারভিউ নেয়। আমি কী করেছি?’ সেঞ্চুরিকে পাখির চোখ করেছিলেন বোঝাই যাচ্ছে। তবে ‘১৮১’ তাঁর দূরতম কল্পনাতেও ছিল না। এত কাছে গিয়ে ফিরে আসার দুঃখ অবশ্য ঠিকই পোড়াচ্ছে।

১৫০ রানের মাইলফলক ছোঁয়ার পর। অক্টোবর ২০১৩, চট্টগ্রাম। ছবি: এএফপি

১৫০ রানের মাইলফলক ছোঁয়ার পর। অক্টোবর ২০১৩, চট্টগ্রাম। ছবি: এএফপি

পোড়ানোরই কথা। আরও বেশি পোড়াবে যখন জানবেন, টেস্ট ক্রিকেটের অভিজাত এক ক্লাবের মাত্র ৩৬তম সদস্য হওয়ার সুযোগটা কেমন হাত ফসকে গেল! গ্যারি সোবার্সের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটিই ছিল রেকর্ডভাঙা অপরাজিত ৩৬৫। প্রথম সেঞ্চুরিকেই ট্রিপল বানিয়েছেন আর একজনই—ববি সিম্পসন। এই দুজনের বাইরে আরও ৩৩ জন প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির পাওয়ার আনন্দ দ্বিগুণ করে নিয়েছেন সেটিকে ডাবল বানিয়ে। মুমিনুল মাত্র ১৯ রানের জন্য পারলেন না।

চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনটি বাকি সব ছাপিয়ে মুমিনুলের অনেক পাওয়া আর সামান্য না-পাওয়ার গল্পই। যেটি মিশে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাওয়া না-পাওয়ার সম্ভাবনার সঙ্গেও। সোয়া ছয় ঘণ্টারও বেশি উইকেটে থেকে খুদে এই ব্যাটসম্যানের ১৮১-ই তো রং চড়িয়েছে টেস্ট বাঁচানোর স্বপ্নে।

আরও পড়ুন …………
টেস্ট স্পেশালিস্টের তকমা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর গায়ে। টেস্ট অধিনায়কত্ব হয়তো সেটিরই ধারাবাহিকতা। দেশের বাইরে মুমিনুল হকের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দিন চলুন ফিরে যাই, ২০১৮ সালের নভেম্বরে। যখন মুমিনুলের ব্যাটে এসেছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের শততম সেঞ্চুরি, যা আবার টেস্টে ছিল ৫০তম। এমন প্রতীকি মনে হয়েছিল ব্যাপারটা!

প্রথম প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০১৮। প্রথম আলো।

—এই টেস্টে একটা সেঞ্চুরি করে ফেলেন।

মুমিনুল হক জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন।

দার্শনিকসুলভ এক নির্লিপ্ততাকে ট্রেডমার্ক বানিয়ে ফেলেছেন অনেক দিনই। নাকি জন্মগতভাবেই এটি পাওয়া! মুখ দেখে তাঁর মনের ভাব খুব কমই বোঝা যায়। ‘টেস্ট সেঞ্চুরি যেন ছেলের হাতের মোয়া, চাইলেই করে ফেলা যায়’—মনে মনে এমন কিছু বলে থাকলেও যথারীতি তা বোঝার উপায় থাকল না।

সেঞ্চুরির ‘ফরমাশ’ বলুন বা ‘আবদার’—তা করার কারণটা মুমিনুলকে বুঝিয়ে বললাম। এই টেস্টে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যান প্রথম যে সেঞ্চুরিটি করবেন, সেটি হয়ে যাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে এক শ নম্বর সেঞ্চুরি।
মুখের একটা রেখাও কাঁপল না মুমিনুলের। নির্বিকার জবাব এল, ‘সেঞ্চুরির কথা ভাবলে ম্যাচ জেতা যায় না।’

‘কেন, সেঞ্চুরি করলে কি ম্যাচ জেতাটা সহজ হয়ে যায় না?’

মুমিনুলের মুখ একইরকম নিরাসক্ত, ‘উল্টা। ম্যাচ জেতার কথা ভেবে খেললে বরং সেঞ্চুরি করাটা সহজ হয়ে যায়।’

তাৎক্ষণিকভাবে এমন একটা উত্তর একটু চমকেই দিল। সেই চমকের ঘোর কাটার আগেই মুমিনুল বললেন, ‘আমি জানি, একদিন আপনি এটা লিখবেন।’

জবাব দিলাম, ‘আমি তো আজই লিখতে চাই।’

মুমিনুল মৃদু হাসলেন।

‘আজ’ মানে সেদিন অবশ্য আর লেখা হলো না। মুমিনুলের সঙ্গে এই কথোপকথন সিলেট ইন্টারন্যাশন্যাল স্টেডিয়ামের অভিষেক টেস্ট শুরুর দিন সকালে। টিম হোটেলের ব্রেকফাস্ট রুমে। টেস্টের প্রথম দিনটাই শুধু সিলেটে ছিলাম। টসে জিতে জিম্বাবুয়ে ব্যাটিং নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয়ে গেছে, বাংলাদেশের এক শ নম্বর এক শটা আজ হচ্ছে না। ওই টেস্টেই যে আর হবে না, সেটি তখন ভাবতেও পারিনি।
সেই সেঞ্চুরি হলো মিরপুরে। সিলেটে হয়ে গেলে সেটি মাঠে বসে দেখা হতো না। নানা তালেগোলে দেখা হলো না মিরপুরে হওয়ার পরও। বাংলাদেশের এক শতম এক শটা দেখলাম টেলিভিশনে। বরাবরই প্রেসবক্সে হাততালি দেওয়ার ঘোর বিরোধী। বাসায় তো আর সেই সমস্যা নেই। হাততালি দিয়ে মুমিনুলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি, আর মনে পড়ছে সিলেটের সেই সকাল। মুমিনুলের সেই বাণীও—ম্যাচ জেতার কথা ভেবে খেললে সেঞ্চুরি করাটা সহজ হয়ে যায়।

মুমিনুলের এই সেঞ্চুরিও তাহলে ম্যাচ জেতার কথা ভেবে খেলার বাই–প্রোডাক্ট! মিরপুরের এই টেস্টে অবশ্য অন্য কিছু ভেবে খেলার কোনো সুযোগই ছিল না বা এখনো নেই। এই টেস্টে না জিতলে তো মহা কেলেঙ্কারি। একটা সময় জিম্বাবুয়েও ছিল বাংলাদেশের কাছে প্রবল এক প্রতিপক্ষ। সেই দিন এমনই বদলে গেছে যে, জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারের সম্ভাবনা এখন অকল্পনীয় এক কলঙ্কের রূপ নিয়ে মুখ ব্যাদান করে তাকায়। দেশের মাটিতে খেলা বলে আরও বেশি। এই সমীকরণ মাথায় নিয়ে কাল সাতসকালে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ২৬।

দলের কথা ভেবে খেললে নিজেরটা এমনিতেই হয়ে যায়—মুমিনুলের এই দর্শন তো জেনেই গেছেন। এখানে কোনোটার চেয়ে কোনোটার প্রয়োজন কম ছিল না। গত ৪ টেস্টের ৮ ইনিংসে তিনটি শূন্য, সব মিলিয়ে রান মাত্র ৬৯। সেটিও একটা ইনিংসে ৩৩ করেছিলেন বলে। মুমিনুলের ছোট্ট দুই কাঁধে কী চাপটাই না ছিল!

এই ‘চাপ’ অবশ্য অনেক দিনই তাঁর ছায়াসঙ্গী। যেদিন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে তাঁর ওয়ানডে খেলার সামর্থ্যের পাশে বড় প্রশ্নচিহ্ন ঝুলিয়ে দিলেন, সেদিন থেকেই। বাংলাদেশের মতো ওয়ানডে–পাগল দেশে গায়ে ‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ তকমাটা আনন্দের তো নয়ই, খুব একটা গৌরবও বোধ হয় বহন করে না। টেস্ট ব্যাটিং এমনিতেই কঠিন, ওয়ানডে খেলতে না পারলে সেটি আরও বেশি কঠিন হয়ে যায়। দীর্ঘ বিরতিতে যাতে জং ধরে যাওয়ার শঙ্কা থাকেই। এভাবেই তো কাটছে মুমিনুলের ক্রিকেট–জীবন। যাঁর কাজটাকে অন্যদের চেয়ে দ্বিগুণ কঠিন করে দিয়েছি আমরাই।

একেবারেই পাকেচক্রে ওয়ানডেতে ফিরেছেন গত এশিয়া কাপে। সাড়ে তিন বছর পর দুটি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন, যেগুলোর আগে–পরেও ‘ওয়ানডেতে মুমিনুল চলে না’ কোরাস শোনা গেছে। সেটি দলের ভেতর থেকেই। পরিবেশটা এমন ছিল যে, মুমিনুলের সফল হওয়াটাই হতো অস্বাভাবিক।

ওয়ানডের কথা বাদ দিন, হাথুরুসিংহে তো মুমিনুলের টেস্ট ক্যারিয়ারেরও প্রায় বারোটা বাজিয়ে দিয়েছিলেন। গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াড থেকে মুমিনুলকে বাদ দেওয়ায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল তাঁরই। সংবাদমাধ্যমে তুমুল সমালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত গিলতে বাধ্য হন। এরপর যা করেন, সেটি কোনো খেলোয়াড়ের প্রতি কোচের বিদ্বেষের উদাহরণ হিসেবে চিরদিন আলোচিত হওয়া উচিত। ঢাকায় প্রথম টেস্টে বসিয়ে রাখার পর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে মুমিনুলকে নামান ৮ নম্বরে!

১১ নভেম্বর ২০১৮, মিরপুর: মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের এক শ নম্বর এক শ। এর চেয়েও বেশি প্রতীকী হয়ে যেটি আবার টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ৫০তম সেঞ্চুরি। ভালোই হয়েছে, টেস্টে মাইলফলক সেঞ্চুরিটা ‘টেস্ট ব্যাটসম্যান’–এর ব্যাটেই তো ভালো মানায়!

নিয়তির কী অদ্ভুত খেলা, বাংলাদেশ ছাড়ার কিছুদিন পর সেই হাথুরুসিংহে যখন শ্রীলঙ্কা দলকে নিয়ে সফরে এলেন, সেই চট্টগ্রামেই টেস্টের দুই ইনিংসে মুমিনুলের সেঞ্চুরি! বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যান কখনো যা পারেননি, আটে নামানোর সেই অপমানের পর হাথুরুর সঙ্গে প্রথম দেখাতেই সেই কীর্তি! সেটিও সেই মাঠেই। একটু কল্পগল্পের মতো তো লাগেই।

মুমিনুলের ওপর দিয়ে যে ঝড় গেছে, বাংলাদেশের অন্য অনেক ক্রিকেটার এসবের মধ্য দিয়ে গেলে ভেঙে চুরমার হয়ে যেতেন। মুমিনুল অন্য ধাতুতে গড়া বলেই টিকে আছেন। মনে নিশ্চয়ই ঝড় উঠেছে, কিন্তু এসব নিয়ে প্রকাশ্যে কখনো অভিযোগ পর্যন্ত করেননি।

সেই মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশের এক শ নম্বর এক শ। এর চেয়েও বেশি প্রতীকী হয়ে যেটি আবার টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ৫০তম সেঞ্চুরি। ভালোই হয়েছে, টেস্টে মাইলফলক সেঞ্চুরিটা ‘টেস্ট ব্যাটসম্যান’–এর ব্যাটেই তো ভালো মানায়!

About Muktopata

Check Also

ভালো আছেন তামিম

লন্ডন থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে আসা ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ভালো আছেন। আপাতত তাকে নিয়ে উদ্বেগের …