Breaking News
Home / ইসলাম / খ্রিষ্টান থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় আল্লাহ আমার জীবনে সফলতা এনে দিয়েছে : মোহাম্মদ ইউসুফ

খ্রিষ্টান থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় আল্লাহ আমার জীবনে সফলতা এনে দিয়েছে : মোহাম্মদ ইউসুফ

পাকিস্তানের প্রথম অমুসলিম অধিনায়ক ছিলেন ইউসুফ ইউহানা। ২০০৪ সালে এই অমুঅমুসলিম অধিনায়ক ২০০৫ সালেই খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

ইউসুফ ইউহানা তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন মোহাম্মদ ইউসুফ। শুধু তাই নয়,স্ত্রী তানিয়ার নামও তিনি পরিবর্তন করেন। স্ত্রী তানিয়ার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ফাতিমা।

২০০৫ সালে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে আল্লাহর কাছ থেকে তিনি বিশেষ উপহার পেয়েছেন বলে মনে করেন।

তিনি মনে করেন এই কারণেই ২০০৬ সালে টেস্ট ক্রিকেটে ১৭৮৮ রান করতে পেরেছেন। আর তার এই অর্জনটি এখনো পর্যন্ত এক বছরের সর্বোচ্চ রানের বিশ্বরেকর্ড।

মোহাম্মদ ইউসুফ ২০০৬ সালকে আল্লাহর তরফ থেকে পাওয়া উপহার মনে করেন। সম্প্রতি উইসডেনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পেছনের ঘটনা শুনিয়েছেন।

মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ” ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে কেউ আমাকে জোর করেনি। এখানে সত্যটা হলো, আমি সাঈদ আনোয়ারের খুব কাছের বন্ধু ছিলাম।

মাঠ এবং মাঠের বাইরে আমাদের দারুণ বন্ধুত্ব ছিল এবং কিশোর বয়স থেকেই আমরা একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি। আমি সাঈদের সঙ্গে এত সময় কাটিয়েছি যে ওর বাবা-মা আমাকে তাদেরই ছেলে মনে করত।

আমি যখন ওদের বাড়িতে যেতাম, দেখতে পেতাম তারা কী সুন্দর শান্তিপূর্ণ এবং শৃঙ্খলার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছে। এটা আমাকে সত্যিই ভাবিয়েছে। সাঈফ আনোয়ার ধর্মপ্রাণ হওয়ার আগে থেকেই আমি ওকে দেখছি। তারপর ওর মেয়ের মৃত্যুর পর ও পুরোপুরি ধর্মের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। যা আমার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা ছিল এবং এটাই আমার ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণ।”

মোহাম্মদ ইউসুফের ২০০৬ সালের সাফল্য মন্ডিত পারফর্মেন্স এর কথা উঠে আসলে তিনি বলেন, “২০০৬ সালে আমি অনুশীলন বা ট্রেনিংয়ে বিশেষ কিছু করিনি। ২০০৫ সালের শেষদিকে আমি মুসলিম হয়ে যাই এবং প্রথমবারের মতো নামাজ আদায় করি।

এরপর আমি দাঁড়ি রাখা শুরু করি এবং নিজের মধ্যে অন্যরকম শান্তি অনুভব করি। যা আমার রাস্তায় আসা সকল চ্যালেঞ্জ জিততে অনুপ্রাণিত করে।”

তিনি আরো বলেন, “আমার কাছে সবসময় মনে হয়েছে, ২০০৬ সালের অসাধারণ পারফরম্যান্স আল্লাহ্‌র কাছ থেকে বিশেষ উপহার ছিল, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায়। আমি কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসের বছরের পর বছর ধরে টিকে থাকা রেকর্ডটি ভাঙতে পারব।

কিন্তু আমি যেহেতু শান্ত এবং স্থিতধী ছিলাম এবং মানসিক দিক থেকে নিজের সেরা অবস্থায় ছিলাম, তাই আমার মনে হয়েছে কোনোকিছুই আমাকে থামাতে পারবে না।”

About Muktopata

Check Also

আমি ২০ বছর যাবৎ মাটিতে পরে থাকা ‘আল্লাহর নাম’ সংগ্রহ করি: হোসনে আরা

মাটিতে পরে থাকা পোষ্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল থেকে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, আল্লাহ্ আকবর ও আল্লাহ …